top of page

সিজেপি বিক্ষোভ নিয়ে গ্রেটার নয়ডার এক ছাত্রের বিরুদ্ধে জারি করা নোটিশ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন

Writer: Gobinda Biswas
Gobinda Biswas
Sep 9
5 min read

নয়াদিল্লি: গৌতম বুদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অক্ষত ত্রিপাঠীর আবেদনের প্রেক্ষিতে গ্রেটার নয়ডার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের জারি করা নোটিস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। কক্‌রোচ জনতা পার্টি বা CJP প্রতিবাদে তাঁর কথিত ভূমিকার কারণে ওই নোটিস জারি করা হয়েছিল বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। মামলাটি Akshat Tripathi v. State of U.P. & Ors. নামে নথিভুক্ত হয়েছে, ডায়েরি নম্বর 55734/2026।


ত্রিপাঠী 4 September 2026 তারিখের নোটিস চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন। নোটিসে তাঁকে জানাতে বলা হয়েছিল, কেন ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা বা BNSS-এর বিধানের অধীনে তাঁকে ₹5 lakh টাকার ব্যক্তিগত বন্ড এবং একই অঙ্কের দুইজন জামিনদার জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হবে না। অভিযোগ ছিল, তিনি প্রস্তাবিত CJP প্রতিবাদে যোগ দিতে অন্য ছাত্রদের উৎসাহিত করেছিলেন।


ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল ভিউতে সুপ্রিম কোর্ট ভবনের বাইরে মানুষের চলাচল দেখা যাচ্ছে।
শীর্ষ আদালতে ছাত্রের আবেদনের পর প্রশাসনিক নোটিস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আদালতে কী নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে


সুপ্রিম কোর্ট শুনানির সময় জানতে চেয়েছে, ছাত্রদের বিরুদ্ধে জবরদস্তিমূলক পদক্ষেপ না নেওয়ার আগের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কেন ওই নোটিস জারি করা হয়েছিল। আদালত প্রশাসনিক ক্ষমতার সম্ভাব্য অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং গ্রেটার নয়ডা কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ সম্পর্কে ব্যাখ্যা চেয়েছে।


ত্রিপাঠীর পক্ষে দাবি করা হয়, এই নোটিস কেবল একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং আদালতের আগের নির্দেশ পাশ কাটানোর একটি চেষ্টা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক কার্যধারা শুরু করে তাঁকে চাপের মুখে ফেলা হয়েছে।


আবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ সংবিধানের অধীনে সুরক্ষিত মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিশেষ করে সমতার অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার প্রশ্ন এখানে জড়িত বলে আবেদনকারীর দাবি।


নোটিসে কী বলা হয়েছিল


4 September 2026 তারিখের নোটিসে ত্রিপাঠীকে কারণ দর্শাতে বলা হয়। নোটিসের মূল প্রশ্ন ছিল, কেন তাঁকে ₹5 lakh টাকার ব্যক্তিগত বন্ড এবং একই পরিমাণের দুইটি জামিনদার দিতে বাধ্য করা হবে না।


এ ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সাধারণত জনশৃঙ্খলা রক্ষার যুক্তিতে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই মামলায় বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে, ওই ব্যবস্থা একজন ছাত্রের বিরুদ্ধে প্রয়োগের ভিত্তি কতটা গ্রহণযোগ্য ছিল।


প্রশাসনের অভিযোগ ছিল, ত্রিপাঠী অন্য ছাত্রদের CJP প্রতিবাদে অংশ নিতে উৎসাহিত করেছিলেন। আবেদনকারীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিবাদে অংশগ্রহণ বা তা নিয়ে মত প্রকাশ করা নিজে থেকেই এমন কোনো অপরাধ নয়, যার জন্য এত বড় অঙ্কের বন্ডের শর্ত চাপানো যায়।


Supreme Court Questions Greater Noida Notice Against Student Over CJP Protest শিরোনামে যে ঘটনাটি সামনে এসেছে, তা এখন কেবল একটি নোটিস প্রত্যাহারের বিষয় নয়। আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগের সীমা কোথায় এবং আদালতের পূর্ব নির্দেশ মানা হয়েছে কি না।


ক্লোজ-আপ ভিউতে একটি আইনি নথির ওপর কলম রাখা আছে।
বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে 4 September 2026 তারিখের কারণ দর্শানোর নোটিস।

আবেদনকারীর যুক্তি কী


ত্রিপাঠী তাঁর আবেদনে দাবি করেছেন, সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশ ছাত্রদের জবরদস্তিমূলক পদক্ষেপ থেকে সুরক্ষা দিয়েছিল। সেই নির্দেশ কার্যকর থাকা অবস্থায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নোটিস জারি করা আদালতের নির্দেশের চেতনাবিরোধী।


তাঁর যুক্তির কেন্দ্রে কয়েকটি বিষয় রয়েছে।


  • আদালতের নির্দেশ অমান্যের প্রশ্ন আবেদনকারীর দাবি, আদালত যখন ছাত্রদের বিরুদ্ধে coercive action থেকে বিরত থাকতে বলেছিল, তখন প্রশাসনিক কার্যধারার মাধ্যমে একই ধরনের চাপ তৈরি করা যায় না।


  • প্রতিরোধমূলক ক্ষমতার ব্যবহার BNSS-এর অধীনে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ জনশৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। কিন্তু আবেদনকারীর বক্তব্য, এখানে তা ছাত্র প্রতিবাদকে দমন করার উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।


  • মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আবেদনে বলা হয়েছে, মতপ্রকাশ, শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহণ এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার ওপর এই পদক্ষেপের প্রভাব পড়তে পারে।


  • বড় অঙ্কের বন্ডের শর্ত ₹5 lakh টাকার ব্যক্তিগত বন্ড এবং একই অঙ্কের দুইজন জামিনদারের শর্ত ছাত্রের জন্য অতিরিক্ত কঠোর বলে আবেদনকারীর পক্ষ থেকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।


আবেদনকারীর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রশাসনের পদক্ষেপ ছাত্রদের মধ্যে ভীতি তৈরি করতে পারে। এতে তারা কোনো প্রতিবাদ, আলোচনা বা মত প্রকাশের ক্ষেত্র থেকে দূরে সরে যেতে বাধ্য হতে পারে।


সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ


শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট মূলত জানতে চেয়েছে, আগের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গ্রেটার নয়ডা কর্তৃপক্ষ কীসের ভিত্তিতে নোটিস জারি করেছিল। আদালত প্রশাসনিক ক্ষমতার ব্যবহার নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলে।


আদালতের উদ্বেগ ছিল, কর্তৃপক্ষ যদি আদালতের সুরক্ষামূলক নির্দেশ এড়িয়ে অন্য পথে চাপ সৃষ্টি করে, তা হলে judicial directions বা বিচারিক নির্দেশের কার্যকারিতা ক্ষুণ্ণ হতে পারে।


নোটিস পরে কর্তৃপক্ষ প্রত্যাহার করে। কিন্তু আদালত ইঙ্গিত দিয়েছে, শুধু প্রত্যাহার করলেই প্রশ্ন শেষ হয় না। কারণ, নোটিস জারির বৈধতা, তার উদ্দেশ্য এবং আদালতের নির্দেশ মানা হয়েছিল কি না, এই প্রশ্নগুলো এখনও রয়ে গেছে।


আদালতের দৃষ্টিতে প্রত্যাহার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলেও, তা নোটিস জারির প্রক্রিয়া ও বৈধতা সংক্রান্ত প্রশ্নকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে দেয় না।

এই অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ প্রত্যাহার করা হলেও আদালত দেখতে পারে, শুরুতেই পদক্ষেপটি নেওয়া উচিত ছিল কি না। বিশেষ করে যখন বিষয়টি ছাত্রদের অধিকার এবং আদালতের আগের নির্দেশের সঙ্গে সম্পর্কিত।


আই-লেভেল ভিউতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পথ ধরে কয়েকজন ছাত্র হাঁটছে।
ছাত্র প্রতিবাদ, প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার প্রশ্ন এখন আলোচনায়।

CJP প্রতিবাদ ঘিরে প্রেক্ষাপট


এই মামলা CJP প্রতিবাদকে ঘিরে ছাত্রদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের প্রশ্ন নতুন করে সামনে এনেছে। মামলার নথি অনুযায়ী, ত্রিপাঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তিনি অন্যদের একটি প্রস্তাবিত প্রতিবাদে অংশ নিতে উৎসাহিত করেছিলেন।


প্রতিবাদ, বিশেষ করে ছাত্র প্রতিবাদ, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সংবেদনশীল বিষয়। একদিকে প্রশাসনের দায়িত্ব থাকে জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা। অন্যদিকে ছাত্রদের মত প্রকাশ, সমাবেশ এবং অংশগ্রহণের অধিকারও সংরক্ষিত।


এই দুই দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন হতে পারে। আদালতের সামনে এখন যে প্রশ্ন এসেছে, তা হলো, জনশৃঙ্খলার আশঙ্কার নামে প্রশাসনিক নোটিস জারি করার ক্ষেত্রে কোন সীমা মানতে হবে।


ত্রিপাঠীর আবেদনে দাবি করা হয়েছে, নোটিসের ফলে ছাত্রদের মধ্যে chilling effect তৈরি হতে পারে। অর্থাৎ ভবিষ্যতে তারা কোনো প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার আগে অতিরিক্ত ভয় পেতে পারে। আদালত এই দিকটিও গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বলে শুনানির বর্ণনা থেকে স্পষ্ট।


BNSS-এর অধীনে প্রতিরোধমূলক কার্যধারা নিয়ে বিতর্ক


ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা বা BNSS ফৌজদারি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে নতুন কাঠামো হিসেবে কার্যকর হয়েছে। এর অধীনে কিছু প্রতিরোধমূলক বিধান রয়েছে, যার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য জনশৃঙ্খলা সমস্যা মোকাবিলার পদক্ষেপ নিতে পারে।


কিন্তু প্রতিরোধমূলক ক্ষমতা সব সময়ই বিচারিক নজরদারির বিষয়। কারণ এই ধরনের ব্যবস্থা অনেক সময় কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই ব্যক্তির ওপর শর্ত আরোপ করতে পারে। তাই এর ব্যবহার যথাযথ কারণ, প্রাসঙ্গিক উপাদান এবং আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে।


এই মামলায় বিতর্ক হচ্ছে, ত্রিপাঠীর বিরুদ্ধে এমন কী উপাদান ছিল যার ভিত্তিতে তাঁকে এত বড় অঙ্কের বন্ডের নির্দেশ দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। আদালত এই প্রশ্নের উত্তর গ্রেটার নয়ডা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জানতে চেয়েছে।


প্রতিরোধমূলক কার্যধারার উদ্দেশ্য যদি জনশৃঙ্খলা রক্ষা হয়, তা হলে সেটি নিরপেক্ষ ও আনুপাতিক হতে হবে। ছাত্র প্রতিবাদ বা মত প্রকাশের সঙ্গে যুক্ত কোনো পরিস্থিতিতে এই মানদণ্ড আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।


নোটিস প্রত্যাহার করলেই কি মামলা শেষ


গ্রেটার নয়ডা কর্তৃপক্ষ ত্রিপাঠীর বিরুদ্ধে জারি করা নোটিস পরে প্রত্যাহার করেছে। সাধারণভাবে দেখলে এতে তাৎক্ষণিক চাপ কমে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এর ফলে আইনি প্রশ্নগুলো শেষ হয়ে যায় না।


কারণ আদালতের সামনে এখন অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রয়েছে।


  • নোটিস জারির আইনি ভিত্তি কী ছিল

  • আগের বিচারিক নির্দেশের সঙ্গে নোটিসের সামঞ্জস্য ছিল কি না

  • প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে ছাত্রদের ওপর অযৌক্তিক চাপ তৈরি করা হয়েছে কি না


এই প্রশ্নগুলোর উত্তর ভবিষ্যতে একই ধরনের প্রশাসনিক পদক্ষেপের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। আদালত যদি মনে করে, নির্দেশ অতিক্রম করে বা পাশ কাটিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যাখ্যা দিতে হতে পারে।


ছাত্র অধিকার ও জনশৃঙ্খলার ভারসাম্য


মামলাটি বৃহত্তর একটি প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে। জনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব কি এমনভাবে প্রয়োগ করা যেতে পারে, যাতে ছাত্রদের মত প্রকাশের অধিকার সংকুচিত হয়?


ভারতের সংবিধান মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দেয়, তবে তা সম্পূর্ণ সীমাহীন নয়। জনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ থাকতে পারে। কিন্তু কোনো বিধিনিষেধ যুক্তিসঙ্গত কি না, তা নির্ভর করে প্রয়োগের ধরন, কারণ এবং প্রভাবের ওপর।


ছাত্রদের ক্ষেত্রে এই প্রশ্ন আরও সূক্ষ্ম। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিতর্ক, প্রতিবাদ এবং মতভেদ প্রায়শই শিক্ষার অংশ। প্রশাসনের দায়িত্ব থাকে সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা ঠেকানো। কিন্তু peaceful expression বা শান্তিপূর্ণ মত প্রকাশকে অপরাধী করে তোলা যায় না, এমন যুক্তিই আবেদনকারীর পক্ষ থেকে সামনে এসেছে।


সুপ্রিম কোর্টের বর্তমান পর্যবেক্ষণ ইঙ্গিত দিচ্ছে, আদালত এই ভারসাম্য নিয়ে সতর্ক। নোটিস প্রত্যাহার হওয়ার পরও আদালত বিষয়টির আইনি দিক পরীক্ষা করতে আগ্রহী।


লো-অ্যাঙ্গেল ভিউতে আদালতের সিঁড়ির ওপর ফাইল হাতে একজন সাধারণ ব্যক্তি দাঁড়িয়ে আছে।
নোটিস প্রত্যাহারের পরও আদালত আইনি বৈধতার প্রশ্ন খতিয়ে দেখছে।

মামলার পরবর্তী পর্যায়ে কী দেখা হবে


মামলাটি এখনও আদালতের বিবেচনায় রয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট গ্রেটার নয়ডা কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপের ব্যাখ্যা চেয়েছে। সেই ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করে আদালত পরবর্তী নির্দেশ দিতে পারে।


পরবর্তী পর্যায়ে আদালত যে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে পারে, তার মধ্যে রয়েছে নোটিস জারির প্রক্রিয়া, প্রশাসনের হাতে থাকা তথ্য, আদালতের আগের নির্দেশের পরিসর এবং নোটিস প্রত্যাহারের কারণ।


এই মামলার ফলাফল কেবল অক্ষত ত্রিপাঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়। ছাত্র প্রতিবাদ, প্রশাসনিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং বিচারিক নির্দেশের প্রতি কর্তৃপক্ষের দায়বদ্ধতা নিয়ে এটি একটি উল্লেখযোগ্য নজরদারির উদাহরণ হতে পারে।


আইনগতভাবে বিষয়টি এখনও বিচারাধীন। তাই আদালতের চূড়ান্ত অবস্থান সামনে আসার আগে ঘটনাকে নির্দিষ্ট অপরাধ বা দায় হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়। এই প্রতিবেদন জনস্বার্থে তথ্যভিত্তিক সংবাদ হিসেবে লেখা হয়েছে, এটি আইনগত পরামর্শ নয়।


নোটিস প্রত্যাহার হওয়ার পরও সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন রয়ে গেছে। প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগের আগে আদালতের নির্দেশ, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং জনশৃঙ্খলার সীমারেখা কতটা মানা হয়েছে, এখন সেই উত্তরই এই মামলার মূল কেন্দ্র।


Comments

Rated 0 out of 5 stars.
No ratings yet

Add a rating
bottom of page