top of page

পশ্চিমবঙ্গের সাংগঠনিক পুনর্গঠনে বিজেপি সাতজন নতুন জেলা সভাপতির নাম ঘোষণা করেছে।

Writer: Gobinda Biswas
Gobinda Biswas
7 days ago
5 min read

কলকাতা, 25 September 2026: পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি রাজ্য সংগঠনে নতুন করে জেলা স্তরে রদবদল করল। ভারতীয় জনতা পার্টির পশ্চিমবঙ্গ ইউনিট রাজ্যের সাতটি সাংগঠনিক জেলায় নতুন জেলা সভাপতি ঘোষণা করেছে। দলীয় নির্দেশ অনুযায়ী, এই নিয়োগগুলি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।


নতুন নিয়োগের কথা ঘোষণা করেছেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ সমীক ভট্টাচার্য। 25 September 2026 তারিখের সরকারি সাংগঠনিক নিয়োগপত্রে বঙা, বারাসত, শ্রীরামপুর, আরামবাগ, মেদিনীপুর, বর্ধমান ও কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার জন্য নতুন সভাপতিদের নাম জানানো হয়েছে।


এই সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির চলতি সাংগঠনিক পুনর্গঠনের অংশ। এর আগে রাজ্য স্তরে বড় কমিটি গঠন, বিভিন্ন জেলা পর্যায়ে দায়িত্ব বণ্টন এবং মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সংক্রান্ত সংগঠনে বদলের মতো একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এবার নজর দেওয়া হয়েছে জেলা নেতৃত্বের কাঠামোর দিকে।


ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল দৃশ্যে কলকাতার একটি সংবাদপত্রের স্টল দেখা যাচ্ছে
রাজ্য রাজনীতির বড় সাংগঠনিক ঘোষণার খবর কলকাতা থেকে ছড়িয়েছে।

সাত সাংগঠনিক জেলায় নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে


বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ ইউনিটের প্রকাশিত নিয়োগপত্রে সাত জন নতুন জেলা সভাপতির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক জেলাগুলিতে এই নেতারাই এখন জেলা স্তরের সাংগঠনিক কাজকর্মের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।


নিয়োগের তালিকা অনুযায়ী, বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার নতুন সভাপতি হয়েছেন নৃপেন বিশ্বাস। বারাসত সাংগঠনিক জেলায় দায়িত্ব পেয়েছেন দীপঙ্কর চক্রবর্তী। শ্রীরামপুরে সভাপতি করা হয়েছে শশী সিংহকে। আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন বিধায়ক প্রশান্ত দিগার। মেদিনীপুরে নতুন সভাপতি হয়েছেন সৌমেন তিওয়ারি। বর্ধমানে দায়িত্ব পেয়েছেন আশিস পাল। কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার নতুন সভাপতি হয়েছেন মানিক রায়।


ক্রমিক

সাংগঠনিক জেলা

নতুন জেলা সভাপতি

1

বনগাঁ

নৃপেন বিশ্বাস

2

বারাসত

দীপঙ্কর চক্রবর্তী

3

শ্রীরামপুর

শশী সিংহ

4

আরামবাগ

প্রশান্ত দিগার, বিধায়ক

5

মেদিনীপুর

সৌমেন তিওয়ারি

6

বর্ধমান

আশিস পাল

7

কাটোয়া

মানিক রায়

All District Presidents


দলীয় নির্দেশে বলা হয়েছে, এই নিয়োগগুলি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর। অর্থাৎ ঘোষণার দিন থেকেই সংশ্লিষ্ট নেতারা তাঁদের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন শুরু করবেন।


এই ঘোষণা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে বিজেপি জেলা সংগঠনকে নতুন করে সাজানোর প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। জেলা সভাপতি পদ স্থানীয় সংগঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। জেলা স্তরে বুথ, মণ্ডল, কর্মী সমন্বয়, প্রচার পরিকল্পনা এবং রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জেলা সভাপতির ভূমিকা সরাসরি প্রভাব ফেলে।


নিয়োগপত্রে কারা উল্লেখিত রয়েছেন


নিয়োগ সংক্রান্ত সরকারি চিঠিটি বিজেপির রাজ্য সংগঠনের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে কয়েকজন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের নেতার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।


নিয়োগপত্রটি যাঁদের অবগতির জন্য পাঠানো হয়েছে, তাঁরা হলেন:


  • সমীক ভট্টাচার্য, সাংসদ রাজ্য সভাপতি, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি


  • সৌদান সিংহ জাতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সংগঠন, বিজেপি


  • সুনীল বনসল রাজ্য প্রভারি, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি


  • লাল সিংহ আর্য রাজ্য সহ-প্রভারি


  • রাজেন্দ্র সিংহ রাজ্য সহ-প্রভারি


  • পিঙ্কি কুশওয়াহা রাজ্য সহ-প্রভারি


  • অমিতাভ চক্রবর্তী রাজ্য সাধারণ সম্পাদক, সংগঠন, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি


নথিতে স্বাক্ষর করেছেন শশী অগ্নিহোত্রী, যিনি পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক এবং রাজ্য অফিস ইন-চার্জ হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।


ক্লোজ-আপ দৃশ্যে একটি ছাপা রাজনৈতিক নিয়োগপত্রের ওপর বাংলা সংবাদপত্র রাখা আছে
নিয়োগপত্রে সাত সাংগঠনিক জেলার নতুন সভাপতির নাম জানানো হয়েছে।

বড় সাংগঠনিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ এসেছে


এই সাত জেলা সভাপতির নিয়োগ কোনও বিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত নয়। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সংগঠন পুনর্বিন্যাসের পথে এগোচ্ছে। চলতি মাসের শুরুতে দল 263 সদস্যের রাজ্য কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করে। সেই কমিটিতে রাজ্যের বিভিন্ন স্তরের নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়।


রাজ্য কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের পর জেলা স্তরে নেতৃত্ব বণ্টন এবং বিভিন্ন সাংগঠনিক শাখায় পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। দলীয় কাজের সঙ্গে যুক্ত মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি বিভাগেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতার পরবর্তী ধাপ হিসেবে এবার সাত সাংগঠনিক জেলায় নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা করা হল।


রাজনৈতিক সংগঠনে সাংগঠনিক জেলা অনেক সময় প্রশাসনিক জেলার সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। দলীয় কাজের সুবিধার জন্য বিভিন্ন অঞ্চলকে আলাদা সাংগঠনিক জেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সেই কাঠামোর ভিত্তিতে জেলা সভাপতি নির্বাচন করা হয়। এর ফলে স্থানীয় স্তরে সিদ্ধান্ত নেওয়া, কর্মসূচি করা এবং ভোটের প্রস্তুতি সংগঠিত করায় দল আলাদা সুবিধা পায়।


এই প্রেক্ষাপটে বনগাঁ, বারাসত, শ্রীরামপুর, আরামবাগ, মেদিনীপুর, বর্ধমান ও কাটোয়ার মতো অঞ্চলকে আলাদা করে দেখা গুরুত্বপূর্ণ। উত্তর 24 পরগনা, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং কাটোয়া ঘিরে রাজনৈতিক হিসাব সব সময়ই রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্ব রাখে। এই অঞ্চলগুলিতে জেলা নেতৃত্বের বদল বিজেপির স্থানীয় সংগঠনকে নতুন করে সাজানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।


জেলা সভাপতি পদ কেন গুরুত্বপূর্ণ


দলীয় রাজনীতিতে জেলা সভাপতি পদ শুধু একটি আনুষ্ঠানিক পদ নয়। জেলা সভাপতি স্থানীয় নেতৃত্ব, মণ্ডল কমিটি, বুথ স্তরের কর্মী এবং রাজ্য নেতৃত্বের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করেন। রাজনৈতিক কর্মসূচির ক্যালেন্ডার তৈরি থেকে শুরু করে আন্দোলন, প্রচার, সভা এবং সাংগঠনিক বৈঠক পরিচালনায় এই পদ গুরুত্বপূর্ণ।


একজন জেলা সভাপতির কাজ সাধারণত কয়েকটি স্তরে ভাগ করা যায়:


  • স্থানীয় কমিটিগুলির সঙ্গে সমন্বয় রাখা

  • মণ্ডল ও বুথ পর্যায়ের সংগঠন সক্রিয় রাখা

  • রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ জেলা স্তরে বাস্তবায়ন করা

  • রাজনৈতিক প্রচার ও কর্মসূচির প্রস্তুতি নেওয়া

  • স্থানীয় ইস্যু রাজ্য নেতৃত্বের কাছে তুলে ধরা

  • নির্বাচনকেন্দ্রিক মাঠপর্যায়ের সংগঠন শক্ত করা


এই কারণেই জেলা সভাপতি বদল মানে শুধু নাম পরিবর্তন নয়। অনেক সময় এর সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক কৌশল, কর্মী নিয়ন্ত্রণ, নেতৃত্বের ভারসাম্য এবং অঞ্চলভিত্তিক সংগঠনের ধরনও বদলে যায়।


বিজেপির সর্বশেষ ঘোষণায় সাতটি সাংগঠনিক জেলা একসঙ্গে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বোঝা যাচ্ছে, দল জেলা স্তরের নেতৃত্বকে নতুনভাবে সাজাতে চাইছে। এই রদবদল কীভাবে স্থানীয় সংগঠনে প্রভাব ফেলবে, তা আগামী কয়েক সপ্তাহে পরিষ্কার হতে পারে।


আই-লেভেল দৃশ্যে পশ্চিমবঙ্গের একটি মুদ্রিত মানচিত্রে কয়েকটি জেলা চিহ্নিত করা হয়েছে
সাত সাংগঠনিক জেলায় নেতৃত্ব বদলের ফলে জেলা স্তরের সংগঠনে নতুন নজর পড়ছে।

কোন অঞ্চলগুলিতে নতুন নেতৃত্ব এল


নতুন সভাপতিদের তালিকায় একাধিক রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল রয়েছে। বনগাঁ, বারাসত এবং শ্রীরামপুর কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের রাজনৈতিক গতিবিধির সঙ্গে যুক্ত। আরামবাগ ও মেদিনীপুর দক্ষিণবঙ্গের বড় সাংগঠনিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। বর্ধমান ও কাটোয়া অঞ্চলও দীর্ঘদিন ধরে রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয় কর্মীভিত্তিক এলাকা হিসেবে পরিচিত।


বনগাঁ সাংগঠনিক জেলায় নৃপেন বিশ্বাসের দায়িত্ব গ্রহণ স্থানীয় সংগঠনের জন্য নতুন পর্বের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বারাসতে দীপঙ্কর চক্রবর্তীর নিয়োগ উত্তর 24 পরগনার একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক অঞ্চলে নেতৃত্ব বদল ঘটাল।


শ্রীরামপুরে শশী সিংহকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হুগলি জেলার রাজনৈতিক পরিসরে শ্রীরামপুর একটি পরিচিত এলাকা। আরামবাগে বিধায়ক প্রশান্ত দিগারকে জেলা সভাপতি করা হয়েছে। বিধায়ক হিসেবে তাঁর পরিচিতি থাকায় জেলা সংগঠনে তাঁর ভূমিকা নজরে থাকবে।


মেদিনীপুরে সৌমেন তিওয়ারির নিয়োগ পশ্চিম মেদিনীপুর অঞ্চলের বিজেপি সংগঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বর্ধমানে আশিস পাল এবং কাটোয়ায় মানিক রায়ের নিয়োগও জেলা স্তরে নতুন নেতৃত্ব আনার অংশ।


এই ঘোষণার পর ৭ জেলায় নতুন সভাপতি কলকাতা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হওয়ায় রাজ্য বিজেপির সাংগঠনিক বার্তা আরও স্পষ্ট হয়েছে।


রাজ্য নেতৃত্বের বার্তায় ধারাবাহিক পুনর্গঠনের ইঙ্গিত


বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ ইউনিটে সাম্প্রতিক সময়ে যে পরিবর্তনগুলি হয়েছে, সেগুলিকে একসঙ্গে দেখলে বোঝা যায় দল কাঠামোগত পুনর্বিন্যাসে জোর দিচ্ছে। রাজ্য কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন, বিভিন্ন সংগঠনিক দায়িত্ব বণ্টন, মিডিয়া ও আইটি সংক্রান্ত বদল এবং এবার জেলা সভাপতি নিয়োগ, সব মিলিয়ে এটি ধাপে ধাপে সংগঠন সাজানোর প্রক্রিয়া।


“BJP Announces New District Presidents” শিরোনামে যে ঘোষণাটি সামনে এসেছে, সেটি মূলত জেলা স্তরে নেতৃত্ব স্থির করার সিদ্ধান্ত। এতে রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে জেলা নেতৃত্বের সরাসরি সম্পর্ক আরও পরিষ্কার হবে।


রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষেত্রে জেলা সংগঠন শক্তিশালী না হলে রাজ্য স্তরের সিদ্ধান্ত মাঠে কার্যকর করা কঠিন হয়। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজনৈতিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাজ্যে জেলা স্তরের সাংগঠনিক প্রস্তুতি দলগুলির জন্য বড় বিষয়। এই প্রেক্ষাপটে বিজেপির নতুন নিয়োগগুলি নজর কাড়ছে।


নিয়োগ কার্যকর হওয়ায় সামনে কী বদল দেখা যেতে পারে


নতুন জেলা সভাপতিরা দায়িত্ব নেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক জেলাগুলিতে কয়েকটি পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। প্রথমত, স্থানীয় কমিটি ও মণ্ডল স্তরে নতুন করে বৈঠক হতে পারে। দ্বিতীয়ত, জেলা পর্যায়ের কর্মসূচির পরিকল্পনায় নতুন নেতৃত্বের ছাপ পড়তে পারে। তৃতীয়ত, রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ পালন ও স্থানীয় মতামত সংগ্রহের প্রক্রিয়া নতুনভাবে সাজানো হতে পারে।


নিয়োগগুলি অবিলম্বে কার্যকর হওয়ায় নতুন সভাপতিদের কাছে সময় নষ্ট করার সুযোগ কম। তাঁদের দ্রুত জেলা সংগঠনের বর্তমান অবস্থা বুঝে দায়িত্ব নিতে হবে। পুরনো নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ হবে।


দলীয় রদবদলের পর সাধারণত কর্মী পর্যায়ে প্রত্যাশা বাড়ে। নতুন সভাপতি কীভাবে কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, কোন এলাকায় সংগঠনিকভাবে জোর দেন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ইস্যুগুলিকে কীভাবে সামনে আনেন, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।


হাই-অ্যাঙ্গেল দৃশ্যে একদল মানুষ গ্রামের রাস্তার পাশে রাজনৈতিক খবর পড়ছে
নতুন জেলা সভাপতিদের দায়িত্ব নেওয়ার পর স্থানীয় স্তরে সংগঠনের প্রতিক্রিয়া নজরে থাকবে।

সংক্ষিপ্ত সার


পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি 25 September 2026 তারিখে সাতটি সাংগঠনিক জেলায় নতুন জেলা সভাপতি ঘোষণা করেছে। বনগাঁতে নৃপেন বিশ্বাস, বারাসতে দীপঙ্কর চক্রবর্তী, শ্রীরামপুরে শশী সিংহ, আরামবাগে বিধায়ক প্রশান্ত দিগার, মেদিনীপুরে সৌমেন তিওয়ারি, বর্ধমানে আশিস পাল এবং কাটোয়ায় মানিক রায় দায়িত্ব পেয়েছেন।


নিয়োগপত্র অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। রাজ্য সভাপতি সমীক ভট্টাচার্যের ঘোষণার ভিত্তিতে প্রকাশিত এই নির্দেশ পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির চলমান সাংগঠনিক পুনর্গঠনের আরেকটি ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


সাম্প্রতিক রাজ্য কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন এবং বিভিন্ন সাংগঠনিক শাখায় বদলের পর জেলা স্তরে এই নিয়োগ দলীয় কাঠামোকে আরও নির্দিষ্ট রূপ দিল। আগামী দিনে এই নতুন জেলা সভাপতিরা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে সংগঠনকে কীভাবে পরিচালনা করেন, সেটিই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের নজরে থাকবে।


Comments

Rated 0 out of 5 stars.
No ratings yet

Add a rating
bottom of page