top of page

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় সঞ্চালনের ফলে নতুন নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে, দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা।

Writer: Gobinda Biswas
Gobinda Biswas
Sep 11
5 min read

কলকাতা: বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি। একটি ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন এলাকায় নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হতে পারে বলে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস। এর জেরে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কলকাতা ও উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও মেঘলা আকাশ, দফায় দফায় বৃষ্টি এবং জলজটের সম্ভাবনা রয়েছে।


আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। সেই ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হলে উপকূল ঘেঁষা জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার কয়েকটি অংশে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি ও ডুয়ার্স অঞ্চলেও বৃষ্টির দাপট বজায় থাকতে পারে।


ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল দৃশ্যে মেঘে ঢাকা বঙ্গোপসাগরের উপকূল দেখা যাচ্ছে
বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত দুর্যোগের সম্ভাবনা বাড়িয়েছে।

বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণাবর্ত শক্তি বাড়াতে পারে


আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তার আশপাশের এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। সমুদ্রের উপর আর্দ্রতা বেশি থাকায় এই সিস্টেমটি শক্তি পেতে পারে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সেটি নিম্নচাপ অঞ্চলে রূপ নিতে পারে।


নিম্নচাপ তৈরি হলে সমুদ্র থেকে স্থলভাগের দিকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকবে। এই জলীয় বাষ্পই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মেঘ তৈরি করবে। সেই মেঘ থেকে কোথাও মাঝারি, কোথাও ভারী বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলবর্তী এলাকায় বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে।


আবহাওয়া দফতর পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। নিম্নচাপের অবস্থান, গতিপথ এবং শক্তির উপর নির্ভর করে সতর্কতার মাত্রা বদলাতে পারে। প্রশাসনও জেলা স্তরে প্রস্তুতি রাখছে বলে সূত্রের খবর।


উপকূলবর্তী জেলায় বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার কারণে সমুদ্র, নদীঘাট এবং নিচু এলাকায় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

দক্ষিণবঙ্গের কোন কোন এলাকায় বেশি প্রভাব পড়তে পারে


দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব বেশি পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার সমুদ্র তীরবর্তী এলাকাগুলিতে দফায় দফায় বৃষ্টি হতে পারে। দিঘা, মন্দারমণি, সাগরদ্বীপ, বকখালি, নামখানা ও ফ্রেজারগঞ্জের মতো এলাকায় আবহাওয়ার দ্রুত বদল দেখা যেতে পারে।


কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায়ও আকাশ বেশির ভাগ সময় মেঘলা থাকতে পারে। শহরে মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে মাঝে মাঝে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী বৃষ্টির সময় দৃশ্যমানতা কমতে পারে। অফিসযাত্রী, স্কুলগামী পড়ুয়া এবং সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াতে সমস্যা হতে পারে।


হাওড়া, হুগলি ও উত্তর ২৪ পরগনার বহু এলাকায় বৃষ্টি হলে রেলপথ ও সড়কপথে প্রভাব পড়তে পারে। শহরতলির কিছু নিচু এলাকাতেও জল জমার আশঙ্কা রয়েছে। পুরসভা ও স্থানীয় প্রশাসন জলনিকাশি ব্যবস্থার দিকে নজর রাখছে।


পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে, যেমন বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামে, নিম্নচাপের প্রভাবে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। মাটির জমিতে জল দাঁড়িয়ে গেলে কৃষিকাজেও প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় সদ্য বীজতলা বা চাষের কাজ চলছে, সেখানে অতিরিক্ত জল সমস্যা তৈরি করতে পারে।


কলকাতায় দফায় দফায় বৃষ্টির আশঙ্কা


কলকাতায় আগামী কয়েক দিন আকাশ মেঘলা থাকার সম্ভাবনা। সকালের দিকে হালকা বৃষ্টি, দুপুর বা বিকেলে দফায় দফায় বৃষ্টি এবং রাতেও বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বৃষ্টির তীব্রতা একই রকম থাকবে না। কোথাও অল্প সময়ের জন্য জোরে বৃষ্টি হতে পারে, আবার কোথাও দীর্ঘ সময় ধরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলতে পারে।


শহরের যেসব এলাকায় জল জমার প্রবণতা বেশি, সেখানে দুর্ভোগ বাড়তে পারে। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, বেহালা, ঠাকুরপুকুর, টালিগঞ্জ, গড়িয়া, পার্ক সার্কাস, কসবা, কলেজ স্ট্রিট, মানিকতলা ও ইএম বাইপাস সংলগ্ন কিছু অংশে জলজট হলে যান চলাচল ধীর হতে পারে। মেট্রো ও লোকাল ট্রেন চলাচলে সরাসরি প্রভাবের পূর্বাভাস না থাকলেও স্টেশন চত্বরে জল জমলে যাত্রীদের সমস্যা হতে পারে।


আই-লেভেল দৃশ্যে বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া কলকাতার রাস্তা দেখা যাচ্ছে
কলকাতায় ভারী বৃষ্টির সময় জলজট ও যান চলাচলে প্রভাব পড়তে পারে।

বৃষ্টির সময় ট্রাফিক পুলিশ ও পুরসভার জরুরি দল প্রস্তুত থাকতে পারে। তবে সাধারণ মানুষেরও সতর্ক থাকা জরুরি। জরুরি কাজ ছাড়া ভারী বৃষ্টির সময়ে বেরনো এড়িয়ে চলা ভাল। বাইরে বেরোতে হলে রেইনকোট, ছাতা, জলরোধী ব্যাগ এবং অতিরিক্ত সময় হাতে রাখা প্রয়োজন।


উপকূলের জেলাগুলিতে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা


নিম্নচাপের সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় দমকা হাওয়া বইতে পারে। সমুদ্র উত্তাল থাকার আশঙ্কা থাকায় মৎস্যজীবীদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত গভীর সমুদ্রে যাওয়ার আগে স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য দফতরের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।


বাংলার উপকূলে আবহাওয়া দ্রুত বদলায়। কখনও আকাশ পরিষ্কার থাকলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঘন মেঘ জমে যেতে পারে। সমুদ্রে ঢেউ বাড়লে ছোট নৌকা ও ট্রলার বিপদে পড়তে পারে। সেই কারণে উপকূলের মৎস্যজীবী পরিবারগুলিকে স্থানীয় সতর্কবার্তা নিয়মিত শুনতে বলা হয়েছে।


উপকূলবর্তী গ্রামগুলিতে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ভারী বৃষ্টির সঙ্গে যদি নদীর জলস্তর বাড়ে, তাহলে জল নামতে সময় লাগতে পারে। ক্যানিং, গোসাবা, নামখানা, পাথরপ্রতিমা, সাগর, কাঁথি ও খেজুরির মতো এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি বাড়তে পারে।


উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির দাপট বজায় থাকবে


দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। পাহাড়ি অঞ্চলে টানা বৃষ্টি হলে ধসের আশঙ্কা বাড়ে। রাস্তা বন্ধ হয়ে গেলে পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতে সমস্যা তৈরি হতে পারে।


তিস্তা, তোর্সা, জলঢাকা, রায়ডাক এবং অন্যান্য নদীর জলস্তরের দিকে নজর রাখা হচ্ছে। পাহাড়ে ভারী বৃষ্টি নামলে নদীতে হঠাৎ জল বাড়তে পারে। ডুয়ার্স অঞ্চলের চা বাগান ও সংলগ্ন গ্রামগুলিতে জল জমার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।


পর্যটকদের পাহাড়ি রাস্তায় যাতায়াতের আগে আবহাওয়ার আপডেট নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ধসপ্রবণ এলাকায় গাড়ি থামানো বিপজ্জনক হতে পারে। রাতে পাহাড়ি পথে অপ্রয়োজনে যাত্রা এড়ানো ভাল।


হাই-অ্যাঙ্গেল দৃশ্যে মেঘে ঢাকা উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি রাস্তা দেখা যাচ্ছে
উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় ভারী বৃষ্টিতে ধসের আশঙ্কা থাকে।

বৃষ্টিতে কী কী সমস্যা হতে পারে


ভারী বৃষ্টির প্রভাবে শহর ও গ্রামে আলাদা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। শহরে প্রধান সমস্যা জলজট ও যানজট। গ্রামে সমস্যা হতে পারে কাঁচা রাস্তা, কৃষিজমি এবং নদীঘাটে। উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ পরিষেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থাও সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।


সম্ভাব্য প্রভাবগুলি হল:


  • রাস্তায় জল জমা

    নিচু এলাকায় জল দাঁড়ালে যান চলাচল ধীর হবে। ছোট গাড়ি ও মোটরবাইক সমস্যায় পড়তে পারে।


  • দৃশ্যমানতা কমে যাওয়া

    ভারী বৃষ্টির সময়ে চালকদের গতি কমাতে হবে। হেডলাইট জ্বালিয়ে চলা নিরাপদ।


  • নদীর জলস্তর বৃদ্ধি

    উত্তরবঙ্গ ও উপকূলের নদীগুলিতে জল বাড়লে ঘাট ও চর এলাকায় সতর্কতা প্রয়োজন।


  • ধসের আশঙ্কা

    পাহাড়ি এলাকায় টানা বৃষ্টিতে মাটি আলগা হয়। ধসপ্রবণ রাস্তায় যাতায়াতে বাড়তি সাবধানতা দরকার।


  • বিদ্যুৎ বিভ্রাট

    ঝোড়ো হাওয়া ও জল জমার কারণে কোথাও কোথাও বিদ্যুৎ পরিষেবা প্রভাবিত হতে পারে।


প্রশাসন নজর রাখছে পরিস্থিতির উপর


রাজ্য ও জেলা প্রশাসন আবহাওয়ার পরিবর্তনের দিকে নজর রাখছে। উপকূলবর্তী এলাকায় ব্লক প্রশাসন, পুলিশ, মৎস্য দফতর এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে সতর্ক থাকতে বলা হতে পারে। কোথাও জল জমলে দ্রুত পাম্প চালানো, রাস্তার পাশে বিপজ্জনক গাছের ডাল কাটা এবং বিদ্যুৎ সংক্রান্ত ঝুঁকি কমানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।


মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কতা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সমুদ্রের আবহাওয়া স্থলভাগের তুলনায় দ্রুত বদলায়। দমকা হাওয়া বাড়লে ট্রলার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হতে পারে। তাই গভীর সমুদ্রে যাওয়ার আগে সরকারি নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


নদীঘাট, ফেরিঘাট এবং উপকূলের পর্যটনকেন্দ্রেও নজরদারি বাড়তে পারে। পর্যটকদের সমুদ্রে নামার আগে স্থানীয় লাইফগার্ড ও প্রশাসনের নির্দেশ শুনতে হবে। ঝড়ো আবহাওয়ার সময় সেলফি তুলতে গিয়ে বা ঢেউয়ের কাছে গিয়ে ঝুঁকি নেওয়া বিপজ্জনক।


সাধারণ মানুষের জন্য সতর্কতার পরামর্শ


নিম্নচাপের সময়ে আতঙ্ক নয়, প্রস্তুতি দরকার। বাড়িতে প্রয়োজনীয় জিনিস হাতের কাছে রাখা উচিত। বিশেষ করে যেসব এলাকায় জল জমে, সেখানে আগেভাগে কিছু ব্যবস্থা নিলে দুর্ভোগ কমে।


সতর্কতার জন্য কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা যেতে পারে:


  • মোবাইল ফোন চার্জ করে রাখা।

  • পানীয় জল ও প্রয়োজনীয় ওষুধ আলাদা করে রাখা।

  • বিদ্যুতের খোলা তার, ভেজা সুইচবোর্ড ও জলমগ্ন মিটার বক্স থেকে দূরে থাকা।

  • শিশু ও প্রবীণদের অপ্রয়োজনে বাইরে না পাঠানো।

  • ঝড়বৃষ্টির সময় গাছের নিচে দাঁড়িয়ে না থাকা।

  • স্থানীয় প্রশাসন ও আবহাওয়া দফতরের নির্দেশ মেনে চলা।

  • ভারী বৃষ্টির সময়ে নদী, খাল, পুকুর বা সমুদ্রের ধারে না যাওয়া।


ক্লোজ-আপ দৃশ্যে বৃষ্টির দিনে ঘাটের পাশে সতর্কবার্তা লাগানো আছে
স্থানীয় সতর্কবার্তা মেনে চললে ঝুঁকি কমে।

পরবর্তী কয়েক দিন গুরুত্বপূর্ণ


নিম্নচাপ তৈরি হলে তার গতিপথই নির্ধারণ করবে কোন এলাকায় কতটা বৃষ্টি হবে। যদি সিস্টেমটি উপকূলের কাছে অবস্থান করে, তাহলে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে। আবার যদি সেটি দ্রুত স্থলভাগে ঢুকে পড়ে বা অন্য দিকে সরে যায়, তাহলে বৃষ্টির এলাকা বদলে যেতে পারে।


আবহাওয়া দফতর নিয়মিত আপডেট দেবে। সেই আপডেটের ভিত্তিতে জেলায় জেলায় সতর্কতা বাড়ানো বা কমানো হতে পারে। আপাতত দক্ষিণবঙ্গের উপকূল ও কলকাতা সংলগ্ন এলাকায় মেঘলা আকাশ এবং দফায় দফায় বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকাতেও সতর্কতা বজায় রাখা প্রয়োজন।


আগামী কয়েক দিন পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়ার মূল নজর থাকবে বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণাবর্ত, সম্ভাব্য নিম্নচাপ এবং তার গতিপথের উপর। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় সাধারণ মানুষ, মৎস্যজীবী, পর্যটক এবং প্রশাসন, সবাইকে সতর্ক থেকে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে।


Comments

Rated 0 out of 5 stars.
No ratings yet

Add a rating
bottom of page